HelplineWorld24

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label গল্প. Show all posts
Showing posts with label গল্প. Show all posts

Friday, November 4, 2016

উপদেশ মূলক গল্প== এক রাজা ও, একটি গাছের বীজ


advice


পাঠক! এটি একটা গল্প হলেও কিছু শিক্ষনীয় বিষয় আছে আমাদের সন্তানদের গল্পের ছলে এই শিক্ষা দিতে পারি। গল্পটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত না পড়লে হয়তো সেই শিক্ষার বিষয়টি আপনার অজানা থেকে যাবে। তাই অনুরোধ ধৈর্য সহকারে গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন।
এক দেশে ছিল এক প্রতাপশালী রাজা। রাজা যেমন ছিল প্রতাপশালী তেমনি ছিল নৈতিক চরিত্রবান। একদিন রাজা তার সভাসদদের ডেকে বললেন,
“আমি তো বৃদ্ধ হয়ে গেছি এখন আমার উত্তরসুরী হিসেবে নতুন রাজা নির্বাচন করা দরকার।”
এই কথা শুনে সভাসদ সবাই হতবাক। সভাসদ সবাই বলে উঠলো,
“রাজা মহাশয় আপনি তার নাম বলুন আমরা তার আজ্ঞাবহ হয়ে যাব।”
রাজা বললেন,
“সেটাই তো সমস্যা। কার নাম বলবো, কাউকে তো আমার মত দেখছি না।”
এই কথা শুনে সভাসদ সবাই আবারও অবাক। তারা ভাবছে রাজার এতগুলো সন্তান থাকতে রাজা তার মত কাউকে দেখছে না কেন? হঠাৎ রাজা সভাসদকে হুকুম দিলেন যে রাজ্যের যত কিশোর বালক আছে তাদেরকে দরবারে হাজির করতে। যথারিতি একদিন রাজ্যের সকল কিশোরদের হাজির করানো হলো। রাজা সকল কিশোরদের উদ্দেশ্য ঘোষনা করলেন,
“শোন বাছা আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমি চাই তোমাদের মধ্য থেকে কেউ একজন রাজ্যের রাজা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করো। কিন্তু তোমাদের মধ্যে কে রাজা হবার যোগ্যতা রাখ তা আমি কিভাবে জানবো। সেটা বের করার জন্য তোমাদের এখানে ডেকেছি।”
এই ঘোষনা শুনে সব কিশোররা তো মহা খুশি সাথে তাদের বাবা/মারাও। সবাই স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিল যে সে এই রাজ্যের রাজা হতে চলেছে। এবার রাজা গম্ভীর কন্ঠে আবার ঘোষনা করলেন,
“আমি তোমাদের একটা পরীক্ষা করবো যাতে আমি বুঝতে পারি তোমাদের মধ্যে কে রাজা হবার যোগ্যতা রাখ।”
শিশুরা সবাই আনন্দিত হলো। এটা কোন সমস্যা না। এবার রাজা প্রত্যেক কিশোর বালকদের হাতে একটা করে গাছের বীজ দিলেন, আর ঘোষনা করলেন,
“তোমরা এই বীজ নিয়ে বাড়ীতে টবে লাগাবে। সেটার যত্ন নেবে, তারপর এক বছর পর তোমরা এই বীজ থেকে যা পেলে তা সাথে করে এই দরবারে আবার আসবে। তখন আমি তোমাদের বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।”
বীজ হাতে নিয়ে কিশোর বালক আর তাদের বাবা/মা বেজায় খুমি মনে বাড়ীতে ফিরে গেল। সভাসদের সকলেই বিষয়টা অনুধাবন করতে না পেরে হতাশায় পড়ে গেল। বিষয়টা কি?
এই কিশোর বালকদের মধ্যে একজন বালকের নাম “লিঙ্ক”। সবার মত লিঙ্কও বীজ নিয়ে এসে বাড়ীতে একটা টবে বীজটা বপন করে দিল। লিঙ্কের মাও লিঙ্ককে গাছ জন্মানোর সবরকম সহযোগিতা করতে লাগলো। লিঙ্ক প্রতিদিন পানি দেয়। পরদিন স্কুলে গিয়ে অন্যান্য বন্ধুদের কাছে তাদের বীজের বিষয় নিয়ে আলাপ করে। ৪ সপ্তাহ, ৬ সপ্তাহ এভাবে ২ মাস ৬ মাস কেটে যায় লিঙ্কের টবের বীজ অঙ্কুরিত হচ্ছে না অথচ অন্যান্য বন্ধুদের টবের বীজ অঙ্কুরিত হয়ে বেশ বড় সড় গাছ হয়ে গেছে। লিঙ্ক বেশ চিন্তায় পড়ে গেল। লিঙ্কের মা লিঙ্ককে সান্তনা দিতে লাগলেন যে হয়তো তার বীজ গজাতে সময় নেবে। লিঙ্কও তাই মনে করে ধৈর্য সহকারে বীজের পরিচর্চা করতে লাগলো। প্রতিদিন স্কুলে বন্ধুদের কাছে তাদের গাছের বিষয় গল্প শুনে লিঙ্ক প্রায় হতাশায় পড়লো। লিঙ্ক তার বীজের বিষয় বন্ধুদের বলে না। এভাবে বছর কেটে গেল কিন্তু লিঙ্কের বীজ থেকে আর গাছ জন্মায়নি। তারপর আবার এক বছর পর রাজা তাদের ডাকলেন। সবাই তাদের নিজ নিজ সুন্দুর বড় আকারের ফুলে ফলে শোভিত গাছ নিয়ে রাজ দরবারে হাজির হলো। লিঙ্ক তার শুন্য টব নিয়ে যেতে রাজী নয়। তারপরও সে মায়ের অনুরোধে তাই নিয়ে গেল। সকল বন্ধুরা লিঙ্কের শুন্য টব দেখে হাসা হাসি করতে লাগলো। কেউ কেউ টিজ করলো। কিন্তু লিঙ্ক ভয়ে ভয়ে তার শুন্য টবটি নিয়ে সবার পিছনে দরবারের এক পিলার পাশে কোন মতে লুকিয়ে থাকলো যাতে রাজা তাকে দেখতে না পারে।
রাজা দরবারে এসে সকলের ফুলে ফলে শোভিত গাছ দেখে বেশ মোহিত হয়ে গেলেন। রাজা সব কিশোর বালকদের বেশ উৎসাহ দিলেন। রাজা বলে উঠলেন,
“তোমরা বেশ যত্ন নিয়েছ তোমাদের গাছগুলোর। কি সুন্দর ফুল আর ফল তাতে। আমি মুগ্ধ।”
এই কথা বলে রাজা আশপাশ তাকাতেই নজর পড়লো পিলারে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লিঙ্কের প্রতি। রাজা জিজ্ঞাসা করলেন,
“তুমি কেন ওখানে ওভাবে লুকিয়ে আছ? বের হয়ে আস। কি সমস্যা তোমার?”
লিঙ্ক দেখলো সে রাজার দৃষ্টি এড়াতে পারেনি। তাই সে তার শূন্য টবটি নিয়ে ধীরে ধীরে রাজার সামনে এসে দাঁড়ালো। শুকনো মুখ নিয়ে লিঙ্ক যথেষ্ট জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো। রাজা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন
“কি নাম তোমার?” উত্তরে সে বললো,
“আজ্ঞে আমার নাম লিঙ্ক।”
রাজা খুব নিখুত ভাবে লিঙ্কের টব পরীক্ষা নীরিক্ষা করলেন এবং সেই বীজটি টবের মাটির তলা থেকে বের করে আনলেন। এটা দেখে দরবারের সবাই বেশ হাসিতে ফেটে পড়লো। রাজা নিজেও অট্রহাসিতে ফেটে পড়লেন। সবার হাসি দেখে লিঙ্ক ও তার মা অপমানিত বোধ করে আরো জড়োসড়ো হয়ে পড়লো।
এবার রাজা বেশ গুরুগম্ভীর গলায় কথা বলে উঠলেন,
“তোমাদের গাছ পরিচর্চায় আমি মুগ্ধ ও অভিভুত হয়েছি। কিন্তু আমি তোমাদের সবাইকে সিদ্ধ করা বীজ দিয়েছিলাম যা থেকে কোন ধরনের গাছ জন্মানোর কথা নয়। কিন্তু তোমরা সে বীজ পরিবর্তন করে ভাল বীজ বপন করে গাছ জন্মিয়েছ। অথচ এই লিঙ্ক সে সত্য জিনিষ নিয়ে এসেছে। কাজেই আমি দেখছি লিঙ্ক হচ্ছে সত্যবাদী ও নৈতিক চরিত্রের অধিকারী। আর রাজা হবার জন্য দরকার একজন নৈতিক চরিত্রবান ও সত্যবাদী মানুষ। সে বিবেচনায় আমি লিঙ্ককেই আমার পরবর্তি রাজা হিসেবে নির্বাচন করলাম।”
পাঠক! এই গল্পটি বলার কারন একটি হাদিসকে তুলে ধরার জন্য। হাদিসটিঃ আমাদের রসুল (সাঃ) বলেছেন যে “সত্যবাদিতা একজন মানুষকে সৎচরিত্রবান হতে সাহায্য করে, এবং একজন সৎচরিত্রের পথে চালিত মানুষ বেহেশতের দিকেই অগ্রসর হয়। এবং একজন মানুষ ততক্ষন পর্যন্ত সত্যকথা বলে যতক্ষন পর্যন্ত সে একজন সত্যবাদী সৎচরিত্রবান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। অন্যদিকে মিথ্যা একজন মানুষের নৈতিক চরিত্রকে সর্বদা দুর্বল রাখে এবং শয়তানের পথে চালিত করে। আর দুর্বল নৈতিক চরিত্র একজন মানুষকে সর্বদা দোযকের দিকে নিয়ে যায়। এবং একজন মানুষ ততক্ষন পর্যন্ত মিথ্যা বলতে থাকে যতক্ষন না আল্লাহ সোবহানা তালা তার নামের সামনে “মিথ্যাবাদী” না লিখেন” (সহি বুখারী, ভলিউম ৮, হাদিস নং ১১৬)


World Learning Any Tips And News Video Watch & Download.......

একটি শিক্ষণীয় গল্প ~একটি আপেল গাছ ও এক বালকঃ


138961016

খুব সুন্দর একটি শিক্ষণীয় গল্প
~একটি আপেল গাছ ও এক বালকঃ~
অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আপেল খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।
সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটি আবার গাছের কাছে ফিরে এলে।
গাছটি বললো, “তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা শুরু করো”
কিন্তু বালকটি শুধালো, “আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনা চাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন।”
গাছটি বললো,”কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো”।
কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।
আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব দুঃখ পেলো।
হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক। গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো।। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো সে।
কিন্তু বালকটি জানালো,”এখন আর তার সে সময় নেই। সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার। এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো”
কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে সাহায্য করতে পারছে না। তবে একটা বুদ্ধি দিলো, “তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো”
বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।
এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়।। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো।
অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে গাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন। ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।।
কিন্তু বালকটি জানালো,”আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো??”
“তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো”
গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো। সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে। অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে।
হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে।
কিন্তু গাছটি শুধালো,”দুঃখিত বালক। আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।কোন আপেল নেই……”
বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, “আমারো এখন আপেল খাওয়ার মতো দাত ও নেই”
– “কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে”
– “গাছের ডালে চড়ার মতো বয়স ও এখন আমার নেই”
-“সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া ” – গাছটি বললো।
“আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমার শুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো।”- বৃদ্ধটি বললো।
“তাহলে মৃতপ্রায় গাছের মূল ই এর জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে বসো আর ভাবো জীবন তোমাকে কি দিয়েছে, কি দেয় নি। কি করা উচিত ছিল, আর কি করা ঠিক হয় নি”- গাছটি বললো।
লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দ গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।
শিক্ষাঃ
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেও এমন একটি
“আপেল গাছ” আছে, আর তা হলো আমাদের পিতা-মাতা!!
এবার গাছটির ত্যাগ গুলোর সাথে আমাদের বাবা-মা কে মিলিয়ে দেখুন।
আপনি কতটা ব্যাস্ত সেটা কোন কথা নয়,
বরং বাবা- মায়ের সাথে জীবনের কথাগুল শেয়ার করুন, সময় দিন।
বিষয়: বিবিধ

World Learning Any Tips And News Video Watch & Download.......